ঘুরে আসুন মীরসরাই


বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম কয়েকটি সেচ প্রকল্পের একটি মহামায়া সেচ প্রকল্প। বেশীরভাগ মানুষই একে মহামায়া লেক বা ই?

.

মীরসরাই এলাকার কয়েকটি দর্শনীয় স্থান

মীরসরাই এলাকার কয়েকটি দর্শনীয় স্থান (বিস্তারিত)

ট্টগ্রাম শহরের আশেপাশে দর্শনীয় কিছু চমকপ্রদ এলাকাগুলির অবস্থান সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই উপজেলায়। বৃহত্তর চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত এই ২টি উপজেলা বর্তমানে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য ক্রমশ জনপ্রিয় স্থানে পরিণত হচ্ছে। এদের ভেতর জনপ্রিয়তার দিক থেকে সীতাকুণ্ডের পরেই মীরসরাই এর অবস্থান।

মীরসরাই এলাকায় কিভাবে যাবেন?

সরাসরি ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন হওয়ায় মীরসরাই অঞ্চলে পৌঁছানো খুব সোজা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে চট্টগ্রাম শহর(সিটি গেট) থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পূর্বেই মীরসরাই উপজেলার অবস্থান। আর সীতাকুণ্ড বাজার থেকে মীরসরাই বাস স্টপের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার (উত্তর বরাবর)। ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে প্রতিদিনই এই রুটে অনেক বাস চলাচল করে। চট্টগ্রামের পরিচিত বাস স্ট্যান্ড গুলো থেকে ৪০ – ৭০ টাকার খরচে মীরসরাই পৌঁছে যেতে পারেন। এছাড়া চট্টগ্রাম এ কে খান মোড় থেকে সি এন জি রিজার্ভ করে প্রায় ১ থেকে সোয়া ১ ঘণ্টায় চলে আসতে পারবেন মীরসরাই এলাকায়।

মীরসরাই এলাকার কিছু দর্শনীয় স্থান

মহামায়া সেচ প্রকল্প ও ইকোপার্ক

বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম কয়েকটি সেচ প্রকল্পের একটি মহামায়া সেচ প্রকল্প। বেশীরভাগ মানুষই একে মহামায়া লেক বা ইকোপার্ক হিসেবে চিনে থাকে। এখানে অবস্থিত ছোট ছোট পাহাড় দিয়ে ঘেরা স্বচ্ছ পানির দৃষ্টিনন্দন হ্রদটি দেখতে প্রাকৃতিক হলেও, তৈরি হয়েছে কৃত্রিম উপায়ে। আয়তনে প্রায় ১১ বর্গকিলোমিটার এই বিরাট হ্রদের পাশে রয়েছে পাহাড়ি গুহা, রাবার ড্যাম ও ঝরনা। পুরো এলাকাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বিধায় এখানে সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই অঞ্চলের অনেক এলাকার তুলনায় কিছুটা উন্নত পর্যটনব্যবস্থা পাবেন।

mohamaya
 
 

নৌকা ভ্রমণ ও কায়াকিং

মহামায়া ইকোপার্কে নৌকাভ্রমণ বা কায়াকিং অনেক জনপ্রিয়। হ্রদ অঞ্চলে প্রবেশ করার পর নানান ধরণের নৌকার দেখা পাবেন, যেগুলির এক একটির ভাড়া পড়বে এক এক রকম। ১ ঘণ্টা কায়াকিং করতে ৩০০-৪০০ টাকা খরচ হয়। ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ মূল্যছাড় রয়েছে, যার জন্য আইডি কার্ড সাথে রাখতে হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫:৩০ পর্যন্ত কায়াকিং চালু থাকে। এছাড়া মাঝারি ও বড় আকারের ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া করতে পারেন। ৮-১০ জন বা ১৫-২০ জন ধারণক্ষমতা বিশিষ্ট নৌকা ভাড়া করতে খরচ পড়বে ৮০০-১৫০০ টাকার ভেতর।

 
 

ক্যাম্পিং ব্যবস্থা

মহামায়া হ্রদ এলাকায় যেকোনো দিনই ক্যাম্পিং করতে পারবেন। যদিও এর জন্য আগাম বুকিং প্রযোজ্য। এটি পরিচালনা করে মহামায়া কায়াকিং পয়েন্ট MKP। সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত ক্যাম্পিং সময় ধরা হয়। সর্বনিম্ন ৪ জন না হলে ক্যাম্পিং-এর জন্য বুকিং দেওয়া সম্ভব নয়।

প্যাকেজ মুল্য- ৬০০ টাকা জনপ্রতি।

সুবিধাসমুহ- তাবু, হ্যামোক, ক্যাম্প-ফায়ারিং, পরোটা ও বারবিকিউ, রাতের খাবার ও সকালের নাস্তা।

ক্যাম্পিং ও কায়াকিং করার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন – ০১৮১৬১১০৩০০, ০১৭১৯৩৯৯৯১৫, ০১৬১৬৭৯৬৯৬৯

যাওয়ার উপায়ঃ

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে মীরসরাই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ঠাকুরদিঘী বাজার বাসস্টপে নামতে হবে। সেখান থেকে সিএনজি অথবা অটোরিকশা ভাড়া করে প্রায় ২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পৌছাতে পারবেন মহামায়া ইকোপার্কের মূল ফটকে। সিএনজি একমুখী রিজার্ভ ভাড়া পড়বে ১৫০ – ২০০ টাকা। এখানে প্রবেশমুল্য জনপ্রতি ১০ টাকা খরচ করে ঢুকে যেতে পারবেন হ্রদ অঞ্চলে। আর ঠাকুরদিঘী বাজার থেকে মহামায়া ইকো পার্ক যাওয়ার পথে হাতের ডান পাশের একটি রাস্তা ধরে ভেতরে প্রবেশ করলে পৌঁছে যাবেন মহামায়া রাবার ড্যাম প্রকল্পে।

মহামায়া ঝরনাঃ

মহামায়া ঝরনার অবস্থান মহামায়া ইকোপার্ক অঞ্চলের ভেতরে। মহামায়া হ্রদে প্রবেশ করার পর নৌকা ভাড়া করে চলে যান হ্রদের দুরপ্রান্তে। ওইপারে নেমে কিছুদূর সামনে এগোলেই পেয়ে যাবেন মহামায়া ঝরনা। সারাদিন ছুটে বেড়ানোর পর ঝর্ণার ঠাণ্ডা পানিতে নেমে গোসল করলে মনে প্রশান্তি বয়ে আসবে।বিশেষ করে গরমকালের দিনগুলিতে মহামায়া হ্রদে নৌকাভ্রমণ করার পর ঝরনা উপভোগ করতে বেশী ভালো লাগবে।

খৈয়াছড়া ঝরনা ও ট্রেইলঃ

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়েকটি ঝরনার ভেতর একটি খৈয়াছড়া। মীরসরাই অঞ্চলের খৈয়াছড়া ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত এই ঝরনাটি এখন চট্টগ্রামের আশেপাশের সবচেয়ে জনপ্রিয় কয়েকটি ঝরনার একটি। সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই অঞ্চলে ক্রমাগত পর্যটক সংখ্যা বাড়ছে বিধায় খৈয়াছড়া ঝরনাও এখন থাকে পর্যটক দিয়ে রমরমা। এর ঝিরিপথটাও যেমন তুলনামূলক বৃহৎ তেমনি ঝরনায় রয়েছে ৯টি ধাপ।

যাওয়ার উপায়ঃ

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাবার পথে মীরসরাই বাসস্টপ পার করে বড়তাকিয়া বাজার নামতে হবে। এরপর এখান খৈয়াছড়া আইডিয়াল স্কুলের আশপাশ থেকে পূর্বদিকে প্রায় ২ – ২.৫ কিলোমিটার পথ সিএনজি ভাড়া করে এগোতে পারবেন। ভাড়া পড়বে প্রায় ১০০- ১৫০ টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে বাকি পথটুকু হেঁটেই এগোতে হবে। বড়তাকিয়া বাজার থেকে প্রায় ৪.২ কিলোমিটার দূরে ঝরনার অবস্থান। যেখানে সিএনজি নামিয়ে দেবে সেখান থেকে ২টি বিকল্প পথ পাওয়া যায় ঝরনা বরাবর- একটি মাটির পথ আরেকটি ঝিরিপথ।

শিমুলতলী ঝরনাঃ   

খৈয়াছড়া ট্রেইলের অন্তর্ভুক্ত একটি ৩ ধাপ বিশিষ্ট ঝরনার নাম শিমুলতলী ঝরনা। খৈয়াছড়া ঝরনার সবগুলো ধাপ পার হবার পর শেষ সীমায় আমতলীকুম যাবার আগে হাতার ডান পাশে একটি ছোট ঝিরিপথের দেখা পাওয়া যায়। এ ঝিরিপথ ধরে সামনে এগোলেই শিমুলতলী ঝরনার দেখা পাওয়া যাবে। তুলনামূলক পর্যটকরা এই ট্রেইলে শুধু খৈয়াছড়া ঝরন দেখেই ভ্রমণ শেষ করে।

নাপিত্তাছড়া/বান্দরখুম ঝরনা ও ট্রেইলঃ

মীরসরাই তথা সীতাকুণ্ড অঞ্চলের দ্বিতীয় জনপ্রিয় ট্রেইল এটি। চট্টগ্রাম বিভাগের মীরসরাই উপজেলার নয়দুয়ারি অঞ্চলে ঝরনা ও ট্রেইলটি অবস্থিত। একটু তাড়াহুড়ো করলে একদিনেই খৈয়াছড়া ও নাপিত্তাছড়া ঝরনা এবং ট্রেইলগুলো ঘুরে আসা সম্ভব। আর এই ট্রেইলটি পাড়ি দেওয়াও তুলনামূলক সোজা। বান্দরখুম ঝরনার আরেকটি নাম নাপিত্তাছড়া ঝরনা। ট্রেইলটির সর্বশেষ ও সর্ববৃহৎ ঝর্ণা এটি। কিন্তু এখানে ছোটবড় আরও কয়েকটি ঝরনা ও জলাশয় রয়েছে।

যাওয়ার উপায়ঃ

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাবার পথে মীরসরাই ও বড়তাকিয়া বাজার বাসস্টপ পার করে নয়দুয়ারিতে নামতে হবে। বাসের চালক বা পরিবাহীকে নয়দুয়ারি নাপিত্তাছড়ার কথা বললে জায়গামতন নামিয়ে দেবে। চট্টগ্রামের যেকোনো সীতাকুণ্ড রুটের বাস ধরে নয়দুয়ারিতে আসা অনেক সোজা। চাইলে সিএনজি রিজার্ভ করেও আসতে পারেন। নয়দুয়ারি বাজার থেকে পূর্বদিকের নাপিত্তাছড়া ট্রেইলের দিকের রাস্তা ধরে কিছুদূর পথ মোটরযানে চড়ে যেতে পারবেন। চাইলে সিএনজি ভাড়া করে নিতে পারেন। এরপর বাকি পথতুকু হেঁটেই এগোতে হবে।

একটু গ্রাম্য পথ ধরে আগাতে হয় বিধায় পথ সম্পর্কে এলাকাবাসীর থেকে তথ্য নিন। চাইলে ৩০০-৫০০ টাকার বিনিময়ে গাইড-ও ভাড়া করে নিতে পারেন। এই অঞ্চলে গাইড ভাড়া করে চলার রীতি আছে।

 

টিপরা, কুপিকাটাকুম ও বাঘবিয়ানি ঝরনাঃ

নাপিত্তাছড়া ট্রেইলের প্রথম ঝরনার নাম টিপরা ঝরনা। একে অনেকে নরদুয়ারী বা উজিল্যা ঝরনা হিসেবেও চিনে থাকে। এ ঝরনাটি আকারে ছোট এবং উপর পর্যন্ত ওঠা যায়।

টিপরা ঝরনা ধরে উপরে উঠে কুপিকাটাকুমের দেখা পাওয়া যায়। একটু খাঁড়াপথে টিলা বেয়ে উপরে উঠতে হয়। উপর থেকে অন্যান্য পাহাড়ের চমৎকার দৃশ্যও লক্ষণীয়।

কুপিকাটাকুম পার করে পাথুরে ঝিরিপথের সন্ধান করুন। এই ঝিরিপথ ধরেই সামনে এগুলে বান্দরখুম ঝরনার দেখা পাবেন। কিন্তু বান্দরখুমের আগেই আরেকটি ঝরনা রয়েছে, যা বান্দরখুম যাবার পথে ঝিরিপথ থেকে বিভাজিত বামের দিকের সরু ঝিরিপথ অনুসরণ করলে পাওয়া যায়। এই ঝরনার নাম বাঘবিয়ানি ঝরনা।

বাওয়াছড়া হ্রদ ও ঝরনাঃ

ঢাকা চট্টগ্রাম সংলগ্ন ছোট কমলদহ বাস স্টপ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেই দেখা পাওয়া যায় বাওয়াছড়া হ্রদের। বাসস্টপ থেকে পথটি খুঁজতে এলাকাবাসীর সহায়তা নিন। এই প্রাকৃতিক লেকের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে পাহাড়ে ছাওয়া পরিবেশ, পাখির কলতান ও একটি ছোট ঝরনা। জায়গাটি মীরসরাই উপজেলার ছোট ওয়াহেদপুর অঞ্চলে অবস্থিত। এখানে কিছু পর্যটকদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাত্রিযাপনের কথাও শোনা যায়। পর্যটনস্থান হিসেবে বাওয়াছড়া হ্রদ এখন পর্যন্ত খুব জনপ্রিয় নয়। কিন্তু হ্রদের নৈসর্গিক দৃশ্য বেশীরভাগ পর্যটকেরই মন কাঁড়ে।

সোনাইছড়ি গমনপথ ও ঝরনাঃ

বড় বড় পাথর দিয়ে ঘেরা একটি কঠিন গমনপথ সোনাইছড়ি। এর অবস্থান মীরসরাই এর হাদি ফকিরহাট বাজার এলাকায়। সীতাকুণ্ড মীরসরাই পার্বত্য পরিসরের সবচেয়ে কঠিন গমনপথ এটি। এখানে রয়েছে সুবিশাল গিরিখাদ ও গভীর কুম। এই পথ ধরে সামনে এগোলে পাওয়া যাবে সোনাইছড়ি ঝরনা। এই স্থানটি ভ্রমণ কষ্টকর বিধায় এখনও এখানে খুব বেশী পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হয়নি।

হাদি ফকিরহাট বাস স্টপ থেকে ফকিরহাট জামে মসজিদের গলি ধরে হেঁটে অথবা সিএনজি ভাড়া করে বড়পাথর এলাকায় যেতে হবে। সেখান থেকে ট্রেইলের শুরু। কিন্তু ট্রেইলের শেষ পর্যন্ত পৌছাতে প্রায় ৩ ঘণ্টার মতন সময় লাগবে।

মুহুরী সেচ প্রকল্প

মুহুরী সেচ প্রকল্পটি বাংলাদেশের কয়েকটি বড় সেচ প্রকল্পের একটি। অনেকে এটিকে মুহুরী প্রজেক্ট নামেও চিনে থাকে। ভৌগলিকভাবে ফেণী জেলার সোনাগাজী থানায় অবস্থান হলেও মীরসরাই থেকে মুহুরী প্রজেক্ট দেখতে দর্শনার্থী যাওয়ার চল আছে। এখানে সেচ প্রকল্পের পাশাপাশি রয়েছে বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র।

বোয়ালিয়া, বাউশ্যা, উঠান, অমরমাণিক্য, নহাইত্যেকুম

এটি সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই এর নিকটবর্তী আরেকটি গমনপথ যেটি ধরে কয়েকটি ঝরনা, ঝিরিপথ ও জলাশয়ের দেখা পাওয়া যায়।

উপকূলীয় ও করেরহাট বনাঞ্চল

প্রায় ১১ হাজার হেক্টর বিশিষ্ট ও অনেকের মতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সুন্দরবন খ্যাত মীরসরাই এর উপকূলীয় বনাঞ্চল। উপজেলা সদর থেকে সিএনজি অথবা গাড়ী যোগে আবুতোরাব হয়ে চরশরত পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে পায়ে হেটে উপকূলী বনাঞ্চলে যাওয়া যায়। উপজেলা সদর থেকে সিএনজি অথবা গাড়ী যোগে বারৈয়ার হাট হয়ে করেরহাট বনাঞ্চলে যাওয়া যায়।

আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য স্থান-

মীরসরাই এলাকার কাছাকাছি দেখার মতন প্রাকৃতিক কিছু জায়গা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সীতাকুণ্ড উপজেলায়। সীতাকুণ্ড এলাকায় সুপ্তধারা, সহস্রধারা, কমলদহ ঝরনা, চন্দ্রনাথ পাহাড়, গুলিয়াখালি ও বাঁশবাড়িয়া সৈকত, কুমিরা-সন্দ্বীপ ফেরিঘাট, সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক ও ভাটিয়ারী লেক উল্লেখযোগ্য।

মীরসরাই অঞ্চলে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা

মীরসরাই অঞ্ছলটি পর্যটনের দিক দিয়ে সীতাকুণ্ডের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে। তাই এখানে থাকার মতন তেমন কোনও হোটেল নেই। একেবারে সাধারণ মানের হোটেলে থাকতে চলে যেতে হবে সীতাকুণ্ডে, আর ভালোভাবে থাকতে চলে যেতে হবে চট্টগ্রাম শহরে।

বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলের মতন মীরসরাই এলাকার প্রত্যেক প্রান্তে খাবারের দোকান রয়েছে। কিন্ত উল্লেখযোগ্য কোনও স্বনামধন্য রেস্তোরাঁর নাম বলা যায় না। তাই খুব ভালো করে খেতে হলে সীতাকুণ্ড বাজারের জনপ্রিয় রেস্তোরাঁগুলিতে ঢুঁ মারতে পারেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের কিছু বাস সার্ভিসের নম্বর দেওয়া হলো-

  • স্টার লাইন স্পেশাল ননএসি সায়েদাবাদ ০১৯৭৩-২৫৯৬৫৩,০১৯৭৩-২৬৯৬৫৪
  • সৌদিয়া পরিবহন ননএসি সায়েদাবাদ ০১৯১৯৬৫৪৮৫৬, ০১৯১৯৬৫৪৮৫৭ এসি আরামবাগ/পান্থপথ ০১৯১৯-৬৫৪৯২৬, ০১৯১৯-৬৫৪৯৩২, ০১৯১৯-৬৫৪৯৩৩
  • বাগদাদ এক্সপ্রেস এসি আরামবাগ +৮৮০১৭৩০-০৪৬০৪০, +৮৮০১৭৩০-০৪৬০৫০
  • হানিফ এন্টারপ্রাইজ ননএসি সায়েদাবাদ ০১৭১৩-৪০২৬৭৩, ০১৭১৩-৪০২৬৮৪, ০১৭১৩-৪০২৬৭১ এসি আরামবাগ ০১৭১৩-৪০২৬৭১,০১৭১৩-৪০২৬৩১
  • ঈগল পরিবহন ,ননএসি মতিঝিল ০২-৭১৯৩৫০৪, ৯০০৬৭০০,৯০১৩২২৪, ৯৩৪৬৩৯১,
  • গ্রীন লাইন এসি রাজারবাগ ৯৩৪২৫৮০,৯৩৩৯৬২৩ চট্টগ্রাম একে খান রোড
    ফোনঃ ০৩১-৭৫১১৬১, ০১৭৩০-০৬০০২১
  • ইউনিক সার্ভিস ননএসি সায়েদাবাদ ৭৫৪৬৩, ০১১৯৬২০৬০৫২
  • এস. আলম পরিবহন ননএসি কমলাপুর ০১৯১৭৭২০৩৯৫, ০২-৮৩১৫০৮৭
  • শ্যামলী পরিবহন এসি এবং ননএসি সায়েদাবাদ ০২-৯০০৩৩৩১,৮০৩৪২৭৫, ০২- ৮৩৬০২৪১,
  • সোহাগ পরিবহন, এসি এবং ননএসি কমলাপুর/ কল্যাণপুর ০২-৮১২৪৯৬৪,০১৭৪০-৫৪৩১৩৬
  • সিল্ক লাইন, এসি উত্তরা (রাতে) আরামবাগ (দিনে) ০১৯১৫-০৪৫৫৮৬,০২-৭১০২৪৬১